ইউরো হাট… নামটা শুনলেই মনের মধ্যে নস্টালজিয়ার একটা দরজা খুলে যায়। ৯০ দশকের সেই চাইল্ডহুড ক্লাসিক রেস্টুরেন্ট- যেটা সময়, বিল্ডিং, মানুষ সবকিছু বদলে গেলেও কোনোভাবে ঠিক আগের মতোই থেকে গেছে। আনাম র্যাংস প্লাজার ওই ছোট্ট কোণটা ছিল আমাদের তারুণ্যের সেফহাউস। আমাদের ইউনিভার্সিটি লাইফে যে যত বড় গল্প বলার, হাসির, কষ্টের, বা হুটহাট আড্ডায় চলে আসার, সব পথই শেষমেশ গিয়ে থামত ইউরো হাটে।
আরও পড়ুন“জ্বর সারলে রেল দেখতে যাব”--পথের পাঁচালিতে দূর্গা, অপুকে বলেছিল। তারপর? রেল সে দেখল না কখনও। দেখার আগেই চলে গেল অচেনা গন্তব্যে।রাত বারোটার দিকে ছাদে উঠতেই মনে পড়ল দূর্গার সেই অপূর্ণতা। আকাশে এক বিশাল লাল চাঁদ ঝুলে আছে। সামনে দিয়ে ধীরে ধীরে ভেসে যাচ্ছে কালিঝুলি মেঘ। অপার্থিব, অবিশ্বাস্য এক দৃশ্য। যেন আকাশ নিজেই তার ক্ষত-বিক্ষত হৃদয়টা খুলে দিয়েছে আমার সামনে।
আরও পড়ুনপ্রতিটা পুরুষ মানুষের জীবনে একটা গোপন দু:খ থাকে। আমার জীবনে এমন দু:খ নেমে এসেছিলো কোন এক শুক্রবার দুপুরে। আমাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হল। নেয়ার কারণ জিজ্ঞেস করায় আম্মা হাসি হাসি মুখে বললেন টিকা খাওয়াবে। হলুদ এক প্রকার ক্যাপসুল ভিটামিন খাওয়ানো হত সে সময়। আমরা ব্যপক উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে সে ক্যাপসুল গিলতাম। আমি খুশি খুশি সেখানে যাবার পর বুঝতে পারলাম বহু বড় এক ভুল আমি করে ফেলেছি। এ জীবন প্রতারণাময়। এখানে কেউ আপন নয়। তলপেট বরাবর ইঞ্জেকশন মেরে ডাক্তার আমার কোন এক অঙ্গহানী করে দ…
আরও পড়ুনমোগল সাম্রাজ্যের সময়ে মতিঝিল এলাকাটি মির্জা মোহাম্মদের মহল হিসাবে গণ্য হতো, যার মধ্যে ছিলো একটি ঝিল। শুরুতে সুকাকু মহলের ঝিল হিসাবে খ্যাত হলেও পরে এই ঝিলটি মতিঝিল নামে পরিচিত হয়ে উঠে, এবং এর নামানুসারেই এলাকাটির নামকরণ করা হয়।
মজার ব্যাপার হলো দেশ থেকে বহু হাতি-ঘোড়া বিলুপ্ত হয়ে গেলেও এ ঝিলটির অস্তিত্ব এখনও রয়েছে। এক সময় এ ঝিলটি মুগদার মান্ডা এলাকার খালের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও বর্তমানে একে নালা বললেও ভুল বলা হবে না। ছোট হতে হতে এর দৈর্ঘ্য বর্তমানে বড় জোর ৬০ থেকে ৭০ গজে এসে ঠেকে…
ছোট ভাইয়ের মেস। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে ফেনা ভর্তি টুথপেস্ট মুখে নিয়ে বারান্দায় দাঁড়িয়ে এরা শাপলা দেখে।
বাড়িওয়ালাদের মন তাদের বাড়ির বারান্দার পরিমাপের সমানুপাতিক। একটা কৃপণ বাড়ির বারান্দায় কখনো পা মেলে বসা যাবে না, উঠোনও থাকবে না; কেবল শিকহীন এক খাঁচায় মাথা গুঁজে বেঁচে থাকা....
এমন মেসে থাকতে পারাটা ভাগ্যি বলতে হবে...
শহুরে চাঁদের মধ্যে মেকি মেকি একটা ভাব থাকে। ভাগ্য ভালো হলে এছাদ ওছাদের ফাঁক গলে উঁকি দিলে তার দেখা পেলেও পাওয়া যেতে পারে। আর দেখা গেলেও তেমন একটা আরাম নেই; টিউব লাইট আর জোছনার আলো পৃথক করাটা প্রায় অসম্ভব একটা ব্যাপার। শহুরে চাঁদ দেখলে আমার মনে হতে থাকে পাশের বাড়ির ৬ তলা ছাদটায় ডেকোরেটর ওয়ালারা বাঁশ দিয়ে বাতি জাতীয় কিছু একটা ঝুলিয়ে দিয়ে গেছেন। ও বাড়ির বিশেষ অনুষ্ঠানটা শেষ হলেই তড়িঘড়ি আবার খুলে নিয়ে চলে যাওয়া হবে ডেকোরেটর ওয়ালাদের ঠেলায় চড়িয়ে।
আরও পড়ুন
Social Plugin