আমি বলি এক অবশ্যম্ভাবী ভোরের কথাযে ভোরের নাম শরিফ ওসমান হাদী। যেদিন ফ্যাসিবাদের অস্তিত্ব বিলীনের জন্য, মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল নিজ পরিচয় নয়, নিজ অস্তিত্ব নিয়ে। রঙিন ট্যাগে তারা আমাদের রক্তের দাম লিখেছিল,
আরও পড়ুনদিনটা শুরু হয়েছিল এক অদ্ভুত দ্বন্দ্বে-- আকাশে রোদের দাগ, তার ফাঁকফোকর দিয়ে গড়িয়ে পড়া বৃষ্টির ফোঁটা। যেন কেউ একসাথে দুটো গল্প বলতে চাইছে-- একটা উজ্জ্বল, আরেকটা ভেজা, স্যাঁতসেঁতে। দিনভর এই খেলা চলেছে; এই আলো এসে চোখ ধাঁধিয়ে দিল, আবার হঠাৎই কালিঝুলি মেঘ এসে সবটুকু আলোকে ঢেকে নিলো।
আরও পড়ুনরাত ১২.৩০।
নগরীর ব্যস্ততম রাস্তাটা খুব আদুরে ধরণের চুপচাপে ব্যস্ত। অদ্ভুত নীরবতা সবখানে.... সারাদিনের ভিক্ষা শেষে ৭/৮ বছরের পথশিশুটা বন্ধ দোকানটার সিঁড়িতে বসা। একা!
ওপাশ থেকে বেলুনওয়ালার চিৎকার-- কিরে বাড়ি যাইবি না? প্রচন্ড একা মেয়েটা তার ছলছলে চোখের ভাষায় শব্দহীন কোন একটা জবাব দেয়।
চোখের ভাষার জবাবটা বুঝে তার হাতে কিছু টাকা গুঁজে দিয়ে হাতের কোল্ড কফিটাতে টান দিতে দিতে গুণগুনিয়ে ফিরতে লাগলো বেলুনওয়ালা। হয়তো নিজ বাড়ি।
ভালোবাসতে জানতে হয়। প্রচন্ড অসুন্দর এই পৃথিবীটায় অদ্ভুত সুন্দরের…
গুগল সার্চ করলেই সবচেয়ে কাছের এটিএম বুথটার অবস্থান জানা যাবে। কিন্তু সার্চ করলেই জানা যাবে না সবচাইতে কাছের শিউলি ফুল গাছটার অবস্থান।
বস্তুগত আনন্দ লাভের হাহাকার এই দুনিয়াজুড়ে। শুধু আত্মিক আনন্দটার কোন ব্যবস্থা নেই। হালকা চোটে হাসপাতাল-ডাক্তার-নার্স সবকিছু ডেকে একাকার করে ফেলা যায়। কিন্তু বিষে-বেদনায় কারও ভেতরটা দুমড়ে-মুচড়ে-মরে নি:শেষ হয়ে গেলেও সারাবার কোনো ব্যবস্থা নেই। হাসপাতাল নেই, ডাক্তার নেই....
প্রতিদিন মানুষ দেখি। মৃত মানুষ। দিব্যি খাচ্ছে-দাচ্ছে-ঘুমাচ্ছে।
কিন্তু ভেতরট…
এই যে এমন তাড়াহুড়োয় বৃষ্টিরা চলে যায়, আমাদের অর্জন কিম্বা ধার করা শব্দেরা পড়ে থাকে অবহেলায়- ঘরে কিংবা মস্তিষ্কে।
বৃষ্টিরা কি জানে আজ যে আমাদের ছুটি নেই?----------
প্রতি বসন্তে আমি নিত্য-নতুন ফুলেদের দেখি। আদর সবুজ পাতাদের অনুভব করি।কিন্তু এদের জায়গা করে দেয়া ঝরা পাতাদের আমি কিংবা আমরা দেখি না। কক্ষনো ফিরেও তাকাই না...
----------
নির্জনতার চাইতে ভয়ংকর কোন নেশা নেই! বড় কোন মাদক নেই...
---------
যেদিন সব কৃষকেরা মরে গেল, মাটির বুকে অঙ্কুর বেরুলো না কোন ফসলের, হাওয়ায় হাওয়ায় পরাগায়ণ…
Social Plugin