বাংলাদেশে কিছু মানুষের স্মৃতিশক্তি বড়ই অদ্ভুত। তারা ঘটনাকে মনে রাখে না, মানুষকে মনে রাখে। আবার কখনো মানুষকেও মনে রাখে না, শুধু শত্রু বেছে রাখে।রস+আলো নামক এভারেজ মানের গার্বেজ স্যারকাস্টিক পত্রিকাটা ফিরে এসেছে। ভেবেছিলাম স্যারকাজম হবে, মজার জোকস থাকবে। কিন্তু এতে এসবের কিছুই নেই। বরং দেখা যাচ্ছে বিএনপির জয়জয়কার আর বাকি অন্য সবাইকে নিয়ে হুদাই তামাশা করে একটা নেগেটিভ ন্যারেটিভ তৈরিতে নেমেছে এই প্রফেশনাল চাটুকারেরা।
আরও পড়ুনএই দেশে একটা জিনিস খুব কনসিস্টেন্ট যা-ই শুরু হয়, বাঙালি সেটারে গু বানায়া ছাড়ে।এইবার তার হাতে পরছে পডকাস্ট। এক মাল দেখি সেদিন বসে মাইকের সামনে বলতেছে ওষুধ ইংরেজি ড্রাগ। ড্রাগ দিয়ে আমরা বাংলায় বুঝি 'নেশা' তার মানে সব ওষুধে নেশা আছে।
আরও পড়ুননিশীথ,এমনও হতে পারতো, জীবনকে স্রেফ একটু সহজ করে দেখার জন্য একটা গভীর কালো রাতে তুমি আমি বেরিয়ে গেছি। রেলের আঁকাবাঁকা পথ ধরে হেঁটে যাওয়া। উদ্দেশ্য বিশেষ কিছু না। স্রেফ একটা বোধ নিয়ে কিঞ্চিৎ এলোমেলোমি, কিছুটা পা ফেলা। একটা বেঞ্চিতে পাশাপাশি বসে মাঝে দুকাপ চা রেখে খুব প্রিয় দু-একটা লাইন ভেজে নেয়া-
রাত ২টা ০১।শহীদ হাদি চত্বর থেকে ফিরেই লিখছি। রাত দশটার দিকে সেখানে পৌঁছাই। ডাকসুর মোসাদ্দেক তখন আকাশ-বাতাস বিদীর্ণ করে স্লোগান তুলছে। কিছুক্ষণ পর জাবের এলো। চারপাশে তাকিয়ে বুঝলাম- এটা কোনো কর্মসূচি না, এটা প্রতিরোধ। হাজার হাজার সাধারণ মানুষ। ব্যপক সংখ্যায় নারী। মা-খালাদের বয়সী মানুষ চোখে পড়ার মত।কনকনে শীত। পিচের ঠান্ডা রাস্তায় বসে সবাই। চুপচাপ নয়-গর্জে উঠছে। একটাই দাবি— হাদি হত্যার বিচার চাই। জাবের ত্রিপল বিছাতে বলল। কয়েকটা কম্বল এলো। অচেনা মানুষ অচেনা মানুষকে ডাকল- "এদিকে …
আরও পড়ুনসক্রেটিস বলেছিল, “I to die, you to live which one is better, only God knows.”আজ এই কথাটা আর দর্শন নয়। এটা আমাদের সময়ের সবচেয়ে নিষ্ঠুর প্রশ্ন। আমরা বেঁচে আছি ভয় আর আপসের ভেতর, আর ওসমান হাদী চলে গেছে সর্বোচ্চ সম্মানের ভেতর দিয়ে।
আরও পড়ুনআমি বলি এক অবশ্যম্ভাবী ভোরের কথাযে ভোরের নাম শরিফ ওসমান হাদী। যেদিন ফ্যাসিবাদের অস্তিত্ব বিলীনের জন্য, মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল নিজ পরিচয় নয়, নিজ অস্তিত্ব নিয়ে। রঙিন ট্যাগে তারা আমাদের রক্তের দাম লিখেছিল,
আরও পড়ুনইউরো হাট… নামটা শুনলেই মনের মধ্যে নস্টালজিয়ার একটা দরজা খুলে যায়। ৯০ দশকের সেই চাইল্ডহুড ক্লাসিক রেস্টুরেন্ট- যেটা সময়, বিল্ডিং, মানুষ সবকিছু বদলে গেলেও কোনোভাবে ঠিক আগের মতোই থেকে গেছে। আনাম র্যাংস প্লাজার ওই ছোট্ট কোণটা ছিল আমাদের তারুণ্যের সেফহাউস। আমাদের ইউনিভার্সিটি লাইফে যে যত বড় গল্প বলার, হাসির, কষ্টের, বা হুটহাট আড্ডায় চলে আসার, সব পথই শেষমেশ গিয়ে থামত ইউরো হাটে।
আরও পড়ুন
Social Plugin