নিশীথ,এমনও হতে পারতো, জীবনকে স্রেফ একটু সহজ করে দেখার জন্য একটা গভীর কালো রাতে তুমি আমি বেরিয়ে গেছি। রেলের আঁকাবাঁকা পথ ধরে হেঁটে যাওয়া। উদ্দেশ্য বিশেষ কিছু না। স্রেফ একটা বোধ নিয়ে কিঞ্চিৎ এলোমেলোমি, কিছুটা পা ফেলা। একটা বেঞ্চিতে পাশাপাশি বসে মাঝে দুকাপ চা রেখে খুব প্রিয় দু-একটা লাইন ভেজে নেয়া-
ইউরো হাট… নামটা শুনলেই মনের মধ্যে নস্টালজিয়ার একটা দরজা খুলে যায়। ৯০ দশকের সেই চাইল্ডহুড ক্লাসিক রেস্টুরেন্ট- যেটা সময়, বিল্ডিং, মানুষ সবকিছু বদলে গেলেও কোনোভাবে ঠিক আগের মতোই থেকে গেছে। আনাম র্যাংস প্লাজার ওই ছোট্ট কোণটা ছিল আমাদের তারুণ্যের সেফহাউস। আমাদের ইউনিভার্সিটি লাইফে যে যত বড় গল্প বলার, হাসির, কষ্টের, বা হুটহাট আড্ডায় চলে আসার, সব পথই শেষমেশ গিয়ে থামত ইউরো হাটে।
আরও পড়ুনOne October morning, I felt how deeply a single month could change a life. I left behind what I had poured my heart into, yet a new life quietly began in the same breath. That October carried an ending I never imagined and a beginning I could not have plannedFrom that day on, whenever October comes, it feels like a turning tide. The wind whispers of endings and beginnings, of things lost and things found. October smells like calm, cold, and something bittersweet, beautiful y…
আরও পড়ুনসেদিন রাতে স্ক্রল করতে করতে হঠাৎ চোখে পড়ল একটা নিউজ- “আমরাই নাকি জোনাকি পোকা দেখার শেষ প্রজন্ম!” আমার মাথার ভেতর বারবার Grave of the Fireflies মুভির সেই বিখ্যাত লাইনটা ঘুরতে শুরু করলো- Why do fireflies have to die so soon?” মনে হলো-- কেউ যেন ধপ করে একটা দরজা বন্ধ করে দিল। আমার শৈশবের গ্রাম বাড়ির সেই মাঠ- বাঁশঝাড়-আঁধার আর বিস্ময়ভরা অদ্ভুত মায়ার জোনাক রাতগুলোর দরজা।
আরও পড়ুনইংল্যান্ডে দেখেছি, কেউ কোরবানির গরু চোখেও দেখে না- সরাসরি স্লটার হাউজে পেমেন্ট হয়, গোশত প্রসেস হয়ে বাসায় প্যাকেট পৌঁছে যায়। আরব দেশগুলোতেও নেই সেই উৎসবের চেনা হাঁকডাক। পশুর রক্ত, জবাই চোখেই দেখা যায় না। টার্কি কিংবা ইরান তো অনেক আগেই মুসলিম সংস্কৃতির অনেক রং মুছে ফেলেছে।
আরও পড়ুনআমার কাছে রমজান মানে ছিল বাতাসে ভেসে আসা এক অদ্ভুত মিষ্টি ঘ্রাণ। যে ঘ্রাণে মিশে আছে অদ্ভুত বিষন্ন নস্টালজিয়া, শৈশবের সারল্য আর মসজিদের কার্পেটে লেপ্টে থাকা বাসি আতরের গন্ধ। আমাদের ছেলেবেলার রমজান আসত শীতের সময়, সে কি দূর্দান্ত শীত! প্রথম সেহরির সময় ঘুম ভেঙেই— যুবুথুবু ঠান্ডা হাওয়া, দূরে কোথাও ভেসে আসা আজানের সুর, আর রান্নাঘর থেকে আসা ডিম ভাজার আওয়াজ। আহা...
আরও পড়ুনশবে বরাত আসলেই মুসলমানেরা রমজানের আগমন সংবাদ পেয়ে যেত। রমজানের চাঁদ দেখার জন্য আজকের মতো কোনো কমিটি ছিল না। ঢাকার লোকেরা নওয়াব বাড়ির ঘোষণা পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতো।
আরও পড়ুনপ্রতিটা পুরুষ মানুষের জীবনে একটা গোপন দু:খ থাকে। আমার জীবনে এমন দু:খ নেমে এসেছিলো কোন এক শুক্রবার দুপুরে। আমাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হল। নেয়ার কারণ জিজ্ঞেস করায় আম্মা হাসি হাসি মুখে বললেন টিকা খাওয়াবে। হলুদ এক প্রকার ক্যাপসুল ভিটামিন খাওয়ানো হত সে সময়। আমরা ব্যপক উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে সে ক্যাপসুল গিলতাম। আমি খুশি খুশি সেখানে যাবার পর বুঝতে পারলাম বহু বড় এক ভুল আমি করে ফেলেছি। এ জীবন প্রতারণাময়। এখানে কেউ আপন নয়। তলপেট বরাবর ইঞ্জেকশন মেরে ডাক্তার আমার কোন এক অঙ্গহানী করে দ…
আরও পড়ুননিয়ম করে প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টি হচ্ছে। কদিনের তীব্র কাঠফাটা গরমের পর আসা এই নিয়মিত বর্ষনে প্রায় সবাই আপ্লুত। ডজনখানেক বৃষ্টিবিলাসী পোস্ট চোখে পড়লো ফেসবুকে। সারাদিন কাঁচ- কংক্রিটের বস্তিতে থেকে আমার আজকাল বৃষ্টিকে খুব একটা চেনা হয় না।
আরও পড়ুন"হ্যাল্লোওও... এত্ত জ্যাম, সব স্ট্যাক হয়ে আছে। নড়তে পারছি না একটা ফোটা। তুমি টেনশন করো না তো, আমি আসতেসি"।
পাঠাও ড্রাইভার তার হাসপাতালে ভর্তি স্ত্রীকে আশ্বাস দিচ্ছেন। মিথ্যা আশ্বাস। এই রাত ১২.৩০ এ তিনি বাইক রাইড দিতে বের হয়েছেন জানলে তার স্ত্রী ক্ষেপে যাবেন।
এই মেয়েটাই হয়তো কোনো একদিন তুমুল ঝগড়ার ফাঁকে তার স্বামীর দিকে আঙ্গুল
আমাদের ছিল একান্নবর্তী পরিবার। বাড়িভর্তি মানুষজন আর আত্মীয়-স্বজন নিয়ে হুলস্থুল এক কারবার। একসাথে ঠেলা-ঠেলি, ঠাসাঠাসি করে কাঠের বাক্সে থান্ডার ইন প্যারাডাইজ, শুক্রবারের আলিফ লায়লা অথবা ঈদের ইত্যাদি অনুষ্ঠান ই ছিল আমাদের জীবনের মহৎ বিনোদন।
ও নাহ...আমার আরেকটা গোপন বিনোদন ছিল। বকা খাবার ভয়ে যেটা লুকিয়ে রেখেছিলাম, আজীবন! এই গোপন বিনোদন টা ছিল-- ঝুম বৃষ্টির রাতগুলো! দেখা গেল মারামারি, কান্নাকাটি করতে করতে কোন এক রুমে ঘুমিয়ে পড়েছি। মামা, খালা কিংবা নানুর কাছে। (এধরণের পরিবারে সা…
শৈশব থেকেই আমি বেশ মানবদরদী। মানবতার কল্যাণে আমি একবার এক মহতী পদক্ষেপ হাতে নিলাম। সিদ্ধান্ত নিলাম আমার নিজের জন্য একটি পার্সোনাল পুকুর খনন করা হবে। সে পুকুরের পানি দিয়েই আমার দৈনন্দিন পানির চাহিদা মেটানো হবে।
বাড়ি হতে খানিক দূরেই এক বিশাল পুকুর(বাবার কর্মস্থানের কারণে সেসময় ঢাকার বাইরে থাকতাম)। তার এক পাশের ঝাঁড়ের নিচে মাছ কাটার বটি এনে এক বিঘত পরিমাণ গর্ত করে ফেললাম।
Social Plugin